নাস্তিকমুক্ত বাংলাদেশ চাই

সংসদ সদস্য বর্তমান মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মুমিন মাননীয় মহামতি জনাব স্যার সেলিম ওসমান গতকাল এক সভায় নাস্তিকদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছে। সেলিম ওসমান বলেন, ‘ধর্মে ধর্মে কোনও বিরোধ নেই। বিরোধ রয়েছে কিছু ধর্মবিরোধী উগ্র নাস্তিকদের সঙ্গে। যাদের ঈমান নাই তারা নাস্তিক। এদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘নাস্তিকদের খুঁজে বের করেন। যারা উচ্ছৃঙ্খল ও ধর্ম মানে না তাদের চিহ্নিত করুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের গোপনে নাস্তিকদের বিষয়ে জানান, প্রয়োজনে ওইসব এলাকায় সভা করে তাদের ফিরিয়ে আনবো। তাহলেই সারাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।’ আবারও নাস্তিকদের খুঁজে বের করার আহ্বান সেলিম ওসমানের

কিছুদিন আগে যে একজন অশিক্ষিত জেলের ফেসবুক হ্যাক করে ফটোশপ ছবি পোস্ট করে এলাকার শতাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা লুটপাট হলো তা আসলে নাস্তিকরা করেছে। তারপরে ওই একই স্থানে দুই দফা আগুন দেয়ার কাজও নাস্তিকরা করছে। ওদিকে উচ্ছৃঙ্খল নাস্তিকদের আরেকটা দল পুলিশ সেজে সাঁওতালদের উপর দফায় দফায় আক্রমন আর খুন করে যাচ্ছে। গত তিন বছর ধরে নাস্তিক ব্লগার/লেখক/প্রকাশকদের এই নাস্তিকরাই খুন করছে।

২০১২ তে রামুতে গুজব রটিয়ে বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ ও শত বছরের পুরাতন রামুর বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা চালায় স্থানীয় ও মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গা নাস্তিকরা। বিএনপি আর নির্বাচনের আমলে জ্বালাও-পোড়াও-ভাঙ্গচুরও এই নাস্তিকদের হাতে হয়েছিলো। পূর্ণিমা নামের বাচ্চা মেয়েটি গনধর্ষিত হয় নাস্তিক নরপশুদের হাতে।

তারও আগে নব্বই দশকে ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা ইস্যুতে কয়েক লক্ষ হিন্দু নির্যাতন করে দেশ ছাড়া করে নাস্তিকরা। ধর্মে অবিশ্বাসী বর্বরদের হাতে ৬ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ হিন্দু নারী-পুরুষ খুন হয়, ২৬০০ উপর নারী ধর্ষিতা হয়, ১০ হাজার মানুষ আহত হয়, ২ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়, ৩৬০০ অধিক মন্দির জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, ৪০ হাজার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া ও দখল করা হয় এবং দশ হাজারের উপর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

১৯৭১ এ ২৫ মার্চ রাতে নাস্তিকরা শান্তিপ্রিয় মুমিন মুসলমান, ধার্মিকদের উপর কলম পেন্সিল নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়েছিলো। নাস্তিকদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে আমাদের এই প্রানপ্রিয় বাংলাদেশ।

বর্তমান মহাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মুমিন মাননীয় মহামতি জনাব স্যার সেলিম ওসমানের কাছে আমার অনুরোধ, অতি শীঘ্রই সংসদে একটা অফিশিয়াল নাস্তিকবিরোধী বিল উত্থাপন করা হোক। এই সোনার বাংলাদেশ থেকে নাস্তিক নামের এই ক্রিমিনালগুলোকে যত দ্রুত নির্মূল করা যায় ততই দেশের জন্য মঙ্গল। আমিন।

আরো জানুন-বাবরি মসজিদ ঘটনার পূর্বে ও পরে অগ্নিদগ্ধ বাংলাদেশ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s